আরোগ্য বাংলা
জীবনযাত্রা ১ মে, ২০২৬ সর্বশেষ আপডেট: ২৬ জুন, ২০২৬ 6 মিনিট পড়ুন

ঋতুচর্যা কি, ছয় ঋতুতে আয়ুর্বেদিক জীবনযাত্রা

আয়ুর্বেদের ঋতুচর্যা ধারণা, বছরের ছয় ঋতু অনুযায়ী খাদ্য ও জীবনযাত্রার সমন্বয়, কোন ঋতুতে কী করবেন ও এড়াবেন, বাঙালি প্রেক্ষাপটে সহজ ভাষায় বাংলায় গাইড।

অভিজিৎ সাউ
তথ্যপ্রযুক্তি পেশাজীবী ও স্বাস্থ্য-বিষয়ক লেখক

AI-সহায়তায় গবেষণা ও খসড়া; সম্পাদনা, যাচাই ও তথ্যের দায়ভার লেখক অভিজিৎ সাউ-এর। সম্পাদকীয় নীতি গবেষণা পদ্ধতি

বছরের ছয় ঋতুর প্রতীকী চিত্র, আয়ুর্বেদিক ঋতুচর্যা
সূচিপত্র15টি বিভাগ

বাংলার ছ'টি ঋতুর কথা আমরা স্কুলেই শিখেছি, গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত আর বসন্ত। মজার ব্যাপার, এই বিভাজন শুধু কাব্যিক নয়। আয়ুর্বেদ এর ওপর ভিত্তি করে একটি সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যবিধি দাঁড় করিয়েছে, যার নাম ঋতুচর্যা। দিনচর্যা যেমন প্রতিদিনের রুটিন, ঋতুচর্যা ঠিক তেমনই ঋতু অনুযায়ী জীবনযাত্রা মানিয়ে নেওয়ার অভ্যাস।

আজকের লেখায় ধাপে ধাপে দেখব ছ'টি ঋতু আয়ুর্বেদিক দৃষ্টিতে কেমন, প্রত্যেকটিতে কী খাবার ও জীবনচর্যা পরামর্শযোগ্য, এবং বাঙালি প্রেক্ষাপটে এসব কতটা কাজে লাগে।

ঋতুচর্যা, পেছনের ধারণা

ঋতুচর্যা হল ঋতু অনুযায়ী খাদ্য ও জীবনযাত্রা মানিয়ে নেওয়ার আয়ুর্বেদিক অনুশীলন, যার ভিত্তি একটি সহজ ধারণা, মানুষ প্রকৃতির অংশ। ঋতু বদলালে দিনের তাপমাত্রা, আর্দ্রতা ও সূর্যের কোণ বদলায়, তাই শরীরের তিন দোষের (বাত, পিত্ত, কফ) ভারসাম্যও বদলে যায়।

মূল নীতি একটাই। যে দোষ যে ঋতুতে স্বাভাবিকভাবেই বাড়ে, সেটির বিপরীত গুণের খাবার ও অভ্যাস বেছে নিন। এতে শরীর ঋতু-পরিবর্তনের সঙ্গে অনেক সহজে মানিয়ে নিতে পারে। আগের লেখায় বিস্তারিত ত্রিদোষ নিয়ে আলোচনা করা আছে, সেটি পড়ে এলে এই লেখা বুঝতে সুবিধা হবে।

আদান কাল ও বিসর্গ কাল

আদান কাল ও বিসর্গ কাল হল আয়ুর্বেদে বছরের দুই অর্ধ, যেখানে সূর্য ও চাঁদের প্রভাবে শরীরের শক্তি যথাক্রমে কমে ও বাড়ে। ছ'টি ঋতু এই দুই ভাগে পড়ে।

ভাগ ঋতু প্রকৃতি শরীরের অবস্থা
আদান কাল (সূর্য জল শোষণ করে) শিশির, বসন্ত, গ্রীষ্ম শুষ্ক, উষ্ণ শক্তি ধীরে ধীরে কমে
বিসর্গ কাল (চাঁদ আর্দ্রতা ফিরিয়ে দেয়) বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত আর্দ্র, ক্রমশ শীতল শক্তি ধীরে ধীরে বাড়ে

কাঠামোটা বুঝলে কখন বেশি পরিশ্রম করা যায় আর কখন বিশ্রাম দরকার, সেই সিদ্ধান্ত সহজ হয়। মোদ্দা কথা সহজ।

ছয় ঋতুর ঋতুচর্যা

ছয় ঋতুর ঋতুচর্যা মানে প্রতিটি ঋতুতে যে প্রধান দোষ বাড়ে, তার বিপরীত গুণের খাবার ও অভ্যাস বেছে নেওয়া। নিচের ছকটি গোটা বছরের ছবি এক নজরে দেয়।

ঋতু (বাংলা মাস) প্রধান দোষ যা খাবেন যা এড়াবেন
শিশির (পৌষ-মাঘ) বাত গরম স্নেহযুক্ত খাবার, দুধ, ঘি, নলেন গুড়, তিল, শীতের সবজি ঠান্ডা পানীয়, কাঁচা শাক, দিনে ঘুম
বসন্ত (ফাল্গুন-চৈত্র) কফ তেতো ও কষায় রস, করলা, নিম-বেগুন, অল্প মধু, হালকা খাবার ভারী মিষ্টি, দিনে ঘুম, ঠান্ডা পানীয়
গ্রীষ্ম (বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ) পিত্ত ঠান্ডা মিষ্টি তরল, দই-ভাত, নারকেল জল, তরমুজ, শসা ঝাল, টক, ভাজা, বাসি খাবার
বর্ষা (আষাঢ়-শ্রাবণ) বাত হালকা গরম রান্না, খিচুড়ি, মুগ ডাল, রসুন, পরিমিত মধু কাঁচা সবজি, স্যালাড, ঠান্ডা পানীয়
শরৎ (ভাদ্র-আশ্বিন) পিত্ত মিষ্টি-তেতো-কষায়, মুগ, লাল চাল, করলা, পুরোনো ঘি ভারী টক-ঝাল, অতিরিক্ত পরিশ্রম
হেমন্ত (কার্তিক-অগ্রহায়ণ) কফ (জমা শুরু) পুষ্টিকর স্নেহযুক্ত খাবার, নতুন চাল, দুধ, ঘি, বাদাম, তিল অতিরিক্ত হালকা খাবার, রাতে কম খাওয়া

১. শিশির (পৌষ-মাঘ, ডিসেম্বর-জানুয়ারি)

শিশির ঋতুতে প্রকৃতি ঠান্ডা ও শুকনো, বাত বাড়ে কিন্তু হজম শক্তি বছরের মধ্যে সবচেয়ে প্রবল থাকে বলে ভারী খাবারও সহজে হজম হয়। অভ্যাসে তেল মালিশ, রোদে বসা, ভোরে ব্যায়াম ও গরম জলে স্নান উপযোগী। বাঙালি শীতে নলেন গুড়ের মিষ্টি গন্ধ, পিঠা আর ভাপা, এ সবই ঋতুচর্যা-সম্মত।

২. বসন্ত (ফাল্গুন-চৈত্র, ফেব্রুয়ারি-মার্চ)

বসন্তে প্রকৃতি ঠান্ডা থেকে গরম হতে শুরু করে, শীতে জমে থাকা কফ গলে বাড়ে বলে এই সময়ে সর্দি-কাশি ও অ্যালার্জির প্রকোপ বেশি দেখা যায়। অভ্যাসে হালকা ব্যায়াম ও প্রাণায়াম ভাল, আর চৈত্র সংক্রান্তির আগে কেউ কেউ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ছোট পরিসরে শোধন করেন। বঙ্গে চৈত্র সংক্রান্তিতে নিম-বেগুন আর করলার তেতো পদ এই ঋতুচর্যারই লোকজ রূপ, আর মরশুমি সর্দি-কাশির ঘরোয়া যত্ন এই ঋতুতে কাজে লাগে।

৩. গ্রীষ্ম (বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ, এপ্রিল-মে)

গ্রীষ্মে প্রকৃতি উষ্ণ ও শুষ্ক, পিত্ত বাড়ে এবং হজম শক্তি ক্ষীণ হয়ে পড়ে। অভ্যাসে কম পরিশ্রম, দুপুরের চড়া রোদ এড়ানো ও ঠান্ডা স্নান উপযোগী, আর দুপুরের অল্প বিশ্রাম কেবল এই ঋতুতেই অনুমোদিত। বাংলার আম-কাঁঠালের মরশুমে পান্তা ভাত আর এক গ্লাস ঘোল এই ঋতুরই উপযোগী।

৪. বর্ষা (আষাঢ়-শ্রাবণ, জুন-জুলাই)

বর্ষায় আর্দ্রতা ও তাপমাত্রা আচমকা বদলায়, বাত বাড়ে, কফ-পিত্ত অস্থির থাকে আর হজম শক্তি বছরের সবচেয়ে দুর্বল হয়ে পড়ে। অভ্যাসে বৃষ্টিতে ভেজা এড়ানো, পা শুকনো রাখা ও গরম জলে স্নান জরুরি, দুর্বল হজমে অগ্নি দীপনের অভ্যাস সহায়ক। বাঙালি বর্ষায় খিচুড়ি-ইলিশ কাকতালীয়ভাবে অনেকটাই ঋতুচর্যাসম্মত।

৫. শরৎ (ভাদ্র-আশ্বিন, আগস্ট-সেপ্টেম্বর)

শরতে বর্ষার পরে রোদ ফেরে এবং বর্ষায় জমা পিত্ত বেড়ে যায়, তাই শরীর একটু গরম অনুভব করে। অভ্যাসে চড়া সূর্যতাপ এড়ানো ভাল, আর রাতে চাঁদের আলোয় হালকা হাঁটার একটি প্রাচীন শীতলকারক পরামর্শও আছে। শরতে পিত্ত-শামক করলার মতো তেতো সবজি উপযোগী, আর পুজোর সময়ের নিরামিষ পাত এই ঋতুচর্যার সঙ্গে মিলে যায়।

৬. হেমন্ত (কার্তিক-অগ্রহায়ণ, অক্টোবর-নভেম্বর)

হেমন্তে শীতের পূর্বাভাস আসে, কফ আস্তে আস্তে জমতে শুরু করে কিন্তু হজম শক্তি ভাল থাকে। এটি ব্যায়ামের জন্য আদর্শ ঋতু, ভাল ঘুম ও তেল মালিশ শুরুরও উপযুক্ত সময়। নবান্ন আর পিঠেপুলির আবহ হেমন্তের শাস্ত্রসম্মত উদযাপন।

ঋতুসন্ধি, সংযোগস্থলের সাবধানতা

ঋতুসন্ধি হল দুই ঋতুর সংযোগস্থল, অর্থাৎ প্রতিটি ঋতুর শেষ ৭ দিন এবং পরের ঋতুর প্রথম ৭ দিন, মোট এই ১৪ দিনে শরীর দ্রুত অভিযোজনে যায়। এই সময়টা একটু সাবধানে চলা ভাল। এই সময়ে হালকা খাবার, ভাল ঘুম, কম মানসিক চাপ ও সংক্রমণ এড়ানো বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ, আর নতুন কোনো ভেষজ-সাপ্লিমেন্ট তখন শুরু না করাই ভাল। বহু মানুষ ঋতুসন্ধিতেই সর্দি-জ্বর-অম্বল-জনিত অস্বস্তি অনুভব করেন, তাই এই সময়ে ভাল ঘুমের নিয়মে আলাদা নজর দিন।

আধুনিক বিজ্ঞান কী বলছে

আধুনিক ক্রোনোবায়োলজি ও সিজনাল বায়োলজি দেখাচ্ছে মানুষের ইমিউন প্রতিক্রিয়া, ভিটামিন D-র মাত্রা, কোলেস্টেরল প্রোফাইল ও ঘুমের প্যাটার্ন অনেকটাই ঋতু-নির্ভর। Dopico ও সহকর্মীদের ২০১৫ সালের Nature Communications গবেষণায় দেখা গেছে মানুষের প্রায় এক-চতুর্থাংশ জিনের প্রকাশ ঋতুভেদে বদলায়, যা শীতে শরীরের প্রদাহ-প্রবণতা বাড়ায়। এটি আয়ুর্বেদের ঋতুচর্যা দর্শনের একটি পরোক্ষ সমান্তরাল মাত্র। তবে প্রমাণ এখনো প্রাথমিক। সরাসরি ঋতুচর্যার নিয়মগুলোকে এটি প্রমাণ করে না। অনেকে আবার বলবেন এসি-নিয়ন্ত্রিত শহুরে জীবনে ঋতুর প্রভাব আজ অনেকটাই ফিকে, আর এই আপত্তিও একেবারে ফেলে দেওয়ার নয়। ঋতুর সঙ্গে শরীরের সংযোগ ধরে রাখতে প্রতিরোধ ক্ষমতার অভ্যাস আর আয়ুর্বেদিক দিনচর্যা ঋতুচর্যার পরিপূরক।

কে সতর্ক থাকবেন

ঋতুচর্যা সাধারণভাবে নিরাপদ হলেও কয়েকটি ক্ষেত্রে ঋতু-অনুযায়ী বড় পরিবর্তনের আগে বাড়তি সতর্কতা দরকার।

কারা কেন সতর্ক থাকবেন
বিদ্যমান অসুখ ও নিয়মিত ওষুধ ঋতু-অনুযায়ী খাদ্য বদল আগেকার ওষুধের কার্যকারিতায় প্রভাব ফেলতে পারে
গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান ঋতুচর্যা সাধারণত নিরাপদ, তবে পঞ্চকর্ম বা শোধন এই সময়ে নয়
শিশু ও বয়স্ক তাপমাত্রা বদলে শরীর দ্রুত সাড়া দেয়, ছোট সমন্বয়েই কাজ চালান
অ্যালার্জির ইতিহাস বিশেষত বসন্ত ও বর্ষার শুরুতে বাড়তি সতর্কতা
মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা শরৎ ও বসন্তে মেজাজ-পরিবর্তনের প্রবণতা বেশি, নিজেকে পর্যবেক্ষণ করুন

একটি ছোট ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ

পড়াশোনা ও কয়েক বছরের অভ্যাসে আমার মনে হয়েছে, ঋতুচর্যার সবচেয়ে বড় শক্তি কোনো বড় নিয়মে নয়, খাবারের ছোট ছোট সমন্বয়ে। গ্রীষ্মে দইয়ের পরিমাণ একটু বাড়ালে, বর্ষায় খিচুড়ির সংখ্যা বাড়ালে, শরীর এক মাসেই অন্যরকম সাড়া দেয় (সবার ক্ষেত্রে একইরকম নাও হতে পারে, তবে চেষ্টা করে দেখার ক্ষতি নেই)। ঠাকুমার রান্নাঘর হয়তো এ সবই অনায়াসে জানত, ঋতুর নাম না করেই।

উপসংহার

ঋতুচর্যা আয়ুর্বেদের একটি বাস্তব উপদেশ, কারণ এটি প্রকৃতির পরিবর্তনের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার একটি সহজ কাঠামো দেয়। ছ'টি ঋতু, প্রতিটিতে দোষ-প্রবণতা আর খাবার-জীবনযাত্রার নমনীয় সমন্বয়, এই সরল চক্র জানলে অনেক অজানা অস্বস্তির ব্যাখ্যা মেলে। বাঙালি জীবনযাত্রার অনেক অংশ আজও এই কাঠামো অনুসরণ করে, পিঠা, পান্তা, খিচুড়ি, পুজোর নিরামিষ, সবকিছুর পেছনেই ঋতুচর্যার ছাপ।

আজ থেকেই একটা ছোট কাজ করুন, এই মাসটা কোন ঋতুতে পড়ছে দেখে উপরের ছক থেকে শুধু একটি "যা এড়াবেন" বেছে নিন আর দুই সপ্তাহ সেটা ছেড়ে চলুন। পরের ঋতুতে আরেকটি যোগ করুন।

সূত্র / Sources

  • চরক সংহিতা, সূত্রস্থান অধ্যায় ৬ (ঋতুচর্যা), Wikisource
  • Dopico X.C. et al. (2015), seasonal gene expression in human immunity and physiology, Nature Communications, PubMed
  • Ministry of AYUSH, Government of India, ayush.gov.in
  • WHO, Traditional, Complementary and Integrative Medicine, who.int

বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই নিবন্ধটি শুধুমাত্র তথ্যমূলক উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছে। যেকোনো স্বাস্থ্য সমস্যায় একজন যোগ্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অপরিহার্য। এটি চিকিৎসা পরামর্শের বিকল্প নয়।

সাধারণ প্রশ্নোত্তর

আয়ুর্বেদ মূলত উত্তর ভারতের ছয় ঋতু (শিশির, বসন্ত, গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত) অনুযায়ী রচিত, প্রতিটি দু'মাস করে। বাংলায় এই বিভাজন মোটামুটি মিলে যায়। অন্য অঞ্চলে স্থানীয় আবহাওয়ার সঙ্গে নমনীয়ভাবে মানিয়ে নিতে হয়।
অভিজিৎ সাউ

লেখক সম্পর্কে

অভিজিৎ সাউ

তথ্যপ্রযুক্তি পেশাজীবী ও স্বাস্থ্য-বিষয়ক লেখক

তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে কর্মরত একজন প্রকৌশলী। বিগত কয়েক বছর ধরে বাংলা ভাষায় আয়ুর্বেদ, ভেষজ ও প্রাকৃতিক জীবনযাত্রার বিশ্বস্ত তথ্য সহজভাবে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছি। প্রতিটি নিবন্ধের পেছনে শাস্ত্রীয় গ্রন্থ, AYUSH মন্ত্রকের নির্দেশিকা ও প্রকাশিত গবেষণাপত্র যাচাই করি।

এই নিবন্ধটি প্রকাশের আগে প্রাথমিক উৎসের সঙ্গে মিলিয়ে যাচাই ও সম্পাদনা করা হয়েছে। আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

আরও পড়ুন
ডেঙ্গু জ্বরে আয়ুর্বেদিক পরিচর্যা, পেঁপে পাতা, ডাবের জল ও ডালিমের পথ্য

ডেঙ্গু জ্বরে আয়ুর্বেদিক পরিচর্যা, পেঁপে পাতা ও পথ্য

ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ, কখন হাসপাতাল জরুরি, পেঁপে পাতা ও প্লেটলেট নিয়ে গবেষণা, গিলয়-তুলসীর সহায়ক ভূমিকা এবং সুস্থ হওয়ার পথ্য, আধুনিক ও আয়ুর্বেদিক বাংলা গাইড।

২৪ জুন, ২০২৬ · অভিজিৎ সাউ
উদ্বেগ ও আয়ুর্বেদ — বাত-শামক ভেষজ, অভ্যঙ্গ ও প্রাণায়ামে মানসিক শান্তি

উদ্বেগ ও আয়ুর্বেদ — অ্যাংজাইটি ব্যবস্থাপনার শাস্ত্রীয় ভেষজ পদ্ধতি

উদ্বেগ বা অ্যাংজাইটির আয়ুর্বেদিক বিশ্লেষণ, বাত-প্রকোপের কারণ, অশ্বগন্ধা, ব্রাহ্মী, অভ্যঙ্গ ও প্রাণায়ামের মাধ্যমে স্বাভাবিক ব্যবস্থাপনার সম্পূর্ণ বাংলা গাইড।

১৫ জুন, ২০২৬ · অভিজিৎ সাউ
সকালের আয়ুর্বেদিক ব্রেকফাস্ট — খালি পেটে ও দোষ-অনুযায়ী খাদ্য পরিকল্পনা

সকালে কী খাবেন — আয়ুর্বেদিক ব্রেকফাস্ট গাইড

আয়ুর্বেদ মতে সকালের আদর্শ আহার, খালি পেটে কী খাবেন, দোষ অনুযায়ী ব্রেকফাস্ট পরিকল্পনা এবং বাঙালি ব্রেকফাস্টের আয়ুর্বেদিক বিশ্লেষণ নিয়ে বাংলায় গাইড।

১৫ জুন, ২০২৬ · অভিজিৎ সাউ